মুখের কালো বা শ্যামলা স্বাভাবিক রঙের পরির্তন করে একটু ফর্সা হবার জন্য মেয়েরা বিশেষ করে গ্রামের মেয়েরা ব্যবহার করছে নিম্নমানের কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ক্রীম। তার জন্য দিতে হচ্ছে খেসারত। বিভিন্ন চর্ম রোগসহ মরণব্যাধি ক্যান্সার পর্যন্ত হচ্ছে। তাছাড়া সৌন্দর্য চর্চ্চার নামে বিউটি পার্লারগুলিতে ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ঐসব ক্রীম। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ধরা গেলেও কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারী নিবন্ধন আছে বলে কাগজ দেখায়। আবার বিজ্ঞানাগারে পরীক্ষার জন্য পাঠানো সে অনেক ব্যাপার। রিপোর্ট আসতে আসতে তার আর কোন এ্যাকশন থাকেনা। যাহোক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে মাধ্যমিক হয়ে কলেজ পর্যন্ত ছাত্র ছাত্রী বিশেষ করে ছাত্রীদের মাঝে উদ্বুদ্ধ ও অবহিতকরণ প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে। সাথে সাথে যদি শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা এ বিষয়ে শ্রেণীকক্ষে বক্তব্য দেন তাহলে অনেকাংশে ফল পাওয়া যেতে পারে। ধর্মীয় উপসনালয়েও এব্যাপারে খুৎবা (ভাষণ) দেয়া যেতে পারে যাতে অভিভাবকরা সচেতন হোন। আর এ কাজে সব থেকে বেশী সহযোগীতা আশা করি স্থানীয় প্রশাসন থেকে কারণ জেলা প্রশাসক জাতীয় ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সম্মানিত সভাপতি। -----------রফিকুল আলম, সভাপতি, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), মেহেরপুর ও সদস্য, জাতীয় ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, মেহেরপুর
Reviewed by রফিকুল আলম on 7:11 AM Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.