অটবী দেব্দারু, হরিৎ কুঞ্জ পেরিয়ে
তমসার বোরখায় ঢেকে আসছিল চারদিক।
তখনো উঠেনি বিধু অম্বর চিরে
অরুনধুতির আলোয় হলাম সহযাত্রী
বাহনহীন পথে শহুরী মেমের
বিলম্বে আসা ট্রেনের যন্ত্র্রণায়।
দুষ্টু বেয়াড়া বাতাস শ্যাম্পু করা কেশরাজি
করে দেয় অগোছালো নাড়িয়ে খেজুর পাতার মত।
উড়িয়ে উত্তরীয় বারেক সলাজ করে তাকে।
পুনঃ দেখা করার অভিপ্রায়ে শেষ হয় পথ চলা।
সে এক মনোহরিনী, ঘুম কাড়ানিয়া
তার আবেদনময়ী কথার মালা
আকর্ষন করেছে লৌহ চুম্বকের মত
আমার দেহাতী মন দুটি চোখ।
সুগন্ধি গোলাপ কিন্তু আছে কাঁটার পাহারা
আঁধার হরা রাত আকাশের
গোল আলোটার বুকেও কালিমা আঁকা।
বহে যাওয়া তমসার জল বেকসুর হলেও
পীযুষ নয়, অন্তরে তার কাদা।
ঋতুরাজ বসন্ত বাঙলার লাবণ্য
যুবা রক্তের উন্মাদনা হলেও
আগুন ঝরা বেশভূসায় যেন বহন করে শম্পা।
কিন্তু------------
শহুরী মেমেকে মনে হয়েছে কুহকিনী না হলেও
হার মেনে যাবে আভিজাত্যের চোখ রাঙানীতে
সম্মোহিতের মত হাতের তালুতে পরবে মেহেদী,
গ্রীবায় চিক, সীমন্তে টায়রা,
কবরীতে রজনীগন্ধা, দেহের ঐশ্বরয্য
বেনারসির ঝলকে ঢেকে, হাতে পরে গন্ডীর কাঁকন
দুস্তর ব্যবধান সৃষ্টি করে মনে
চলে যাবে অচেনায় আপন মহল ছেড়ে।
চলে যাবে অচেনায়
Reviewed by রফিকুল আলম
on
5:40 PM
Rating:
Reviewed by রফিকুল আলম
on
5:40 PM
Rating:


No comments: